হবিগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ও আলোচিত বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তাহেরীর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ টাকা। হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার স্ত্রী কিংবা নির্ভরশীলদের নামে কোনো ধরনের সম্পদ নেই। এমনকি স্ত্রীর নামে কোনো স্বর্ণালংকার বা নগদ অর্থও দেখানো হয়নি।
হলফনামার তথ্যমতে, তাহেরীর অস্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি খাত থেকে তার বার্ষিক আয় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা এবং ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে আয় ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রয়েছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা।
এছাড়া তার নামে ৩১ ভরি স্বর্ণ রয়েছে, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। আসবাবপত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ লাখ টাকা। এসব হিসাব অনুযায়ী, তার মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকা।
স্থাবর সম্পদের হিসাবে, তাহেরীর নামে কৃষিজমি রয়েছে, যার দলিলমূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। তবে বর্তমান বাজারমূল্য হিসেবে এর মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, তাহেরী পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং তার স্ত্রী গৃহিণী। তার নামে থাকা সব সম্পদই এককভাবে নিজের নামে, স্ত্রীর নামে কোনো জমি, স্বর্ণ, আসবাবপত্র কিংবা নগদ অর্থ নেই।
ব্যক্তিগত তথ্যের অংশে তাহেরী উল্লেখ করেন, তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। হবিগঞ্জের মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় তিনি হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন।
হলফনামায় আরও জানানো হয়, তার বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা রয়েছে এবং সবগুলোই বর্তমানে চলমান। তাহেরীর দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।
