বাংলাদেশে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রোববার (২৮ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে সংঘটিত এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ২।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ২৬.৮৬৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৫.২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভারতের ডিব্রুগড় শহর থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং সোনারি শহর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে।
তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে, রোববার রাত ৯টা ৫৩ মিনিটে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইএমএসসি জানায়, ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ২১.৫৬৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২.৫৩৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এর গভীরতা ছিল ৪৯ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং কক্সবাজার থেকে প্রায় ৫৭ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমার ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ভূ-তাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় হওয়ায় সেখানে ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প প্রায়ই সংঘটিত হয়।
ম্যাংগোটিভি / আরএইচ
