Monday, September 21

টানা দশম রাতের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার সময় দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সম্প্রতি তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার জবাব না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও চলছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী হামলা চালাবে।

অন্যদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের পর দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধারকারী দল নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া আইআরজিসির দাবি, বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং কুয়েতে মার্কিন দীর্ঘপাল্লার রাডার, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট গ্রহণ ব্যবস্থা ও আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারে হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা হবে এবং এ পথ দিয়ে তেল, গ্যাস ও রাসায়নিক সার রপ্তানি বন্ধ থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি।

ম্যাংগোটিভি /আরএইচ

Share.
Exit mobile version