চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দারুণ এক লড়াইয়ের পর আরবি লাইপজিগকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। দুইবার এগিয়ে গিয়েও সমতায় ফিরতে হয়েছিল ইংলিশ ক্লাবটিকে। শেষ পর্যন্ত ৭৮ মিনিটে আর্লিং হালান্ডের গোলে জয় নিশ্চিত করে পেপ গার্দিওলার দল।
লাইপজিগের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে স্বাগতিকরা। তবে ৩৭ মিনিটে ভাগ্যের সহায়তায় এগিয়ে যায় সিটি। রায়ান শেরকির লম্বা পাস ধরে বক্সে ঢুকে বল কাটব্যাক করেন নিকো ও’রাইলি। সেটি ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠান লাইপজিগের ডিফেন্ডার কাস্তেলো লুকেবা। আত্মঘাতী গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় সিটি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরে লাইপজিগ। ৪৯ মিনিটে জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন রিডলে বাকু। বাম দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে বক্সের কাছাকাছি থেকে নেওয়া তার শট ঠেকাতে পারেননি সিটি গোলরক্ষক।
এরপর আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে সিটি। ৫৭ মিনিটে রায়ান শেরকির পাস থেকে পাওয়া বলে হালান্ডের শট ঠেকিয়ে দেন লাইপজিগ গোলরক্ষক মার্টেন ভান্দেভুর্ট।
তবে ৬৩ মিনিটে আর ভুল করেনি সিটি। ইলিমান দিয়ারের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ম্যানসিটি।
সেই লিডও অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। ৭০ মিনিটে ক্রিস্টোফার এনকুনকুর বুদ্ধিদীপ্ত পাস পেয়ে নিচু শটে গোল করে লাইপজিগকে আবারও সমতায় ফেরান আন্তোনিও নুসা।
শেষ পর্যন্ত ৭৮ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন হালান্ড। এলিয়ট অ্যান্ডারসনের দুর্দান্ত নিচু ক্রসে বক্সের পেছনের পোস্টে ছুটে গিয়ে স্লাইড করে বল জালে পাঠান নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার। তাতেই ৩-২ গোলের জয় নিশ্চিত হয় ম্যানচেস্টার সিটির।
চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি হালান্ডের ১৪তম গোল। আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৬১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৬২।
ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করে। লাইপজিগের ডেভিড রাউমের ফ্রি-কিক দোন্নারুম্মাকে পরাস্ত করে ক্রসবারে লাগে। অন্যদিকে শেরকির শটও ক্রসবারে প্রতিহত হয়।
প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলা ও ব্রাইটনের কাছে টানা দুই হারের পর এই জয় কিছুটা স্বস্তি দেবে ম্যানসিটিকে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চার ম্যাচে তিন জয়ে সাত নম্বরে উঠে এসেছে তারা। ইউরোপের এই প্রতিযোগিতায় এ মৌসুমে সিটির একমাত্র হার গত মাসে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির বিপক্ষে।
ম্যাংগোটিভি / আরএইচ
