সারা দেশে নতুন করে বাড়তি অবকাঠামো নির্মাণ না করে বিদ্যমান ক্রীড়া স্থাপনাগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক মানের টার্ফ ‘দ্য স্পোর্টিভা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে একটি সভা হয়েছে। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে নতুন করে বাড়তি ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি না করে বিদ্যমান স্থাপনাগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেন।
আমিনুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিদ্যমান অবকাঠামোগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পর যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে নতুন করে ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি করা যাবে।’
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৬ বছর পর খেলাধুলাকে আধুনিক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ক্রীড়ায় যুক্ত করে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্যেই প্রথম আসরটি প্রধানমন্ত্রী সিলেট থেকে একযোগে ৬৪ জেলায় উদ্বোধন করেছিলেন। গত ২৭ জুলাই আর্মি স্টেডিয়ামে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে ওই আসর শেষ হয়েছে। বর্তমানে ১০টি ইভেন্ট সামনে রেখে দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে।
সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ প্রস্তুতের কথাও জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ ব্যয়বহুল হওয়ায় নির্ধারিত ৮ বিঘার চেয়ে কিছুটা ছোট জমি পাওয়া গেলেও সেটিকে মাঠ হিসেবে প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিতে হবে।
এ জন্য সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকদের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নিশ্চিত করাই লক্ষ্য।
ময়মনসিংহকে নারী ক্রীড়াবিদ তৈরির উর্বর ক্ষেত্র উল্লেখ করে আমিনুল হক ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের মেয়েদের প্রশংসা করেন।
তিনি আরও জানান, শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবন যমুনায় সাফজয়ী নারী ফুটবল দল, নারী হকি দল, ক্রিকেট দল এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে’ পুরস্কারপ্রাপ্ত কিশোর-কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
ম্যাংগোটিভি / আরএইচ
