বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫ সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। একই সঙ্গে এ উদ্যোগ গ্রহণ এবং অংশীজনদের মতামত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার জন্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৮ জুলাই) ডিবিএর সেক্রেটারি মো. দিদারুল গনীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই বিএসইসি আয়োজিত এক সভায় ডিবিএ এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)-এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় প্রস্তাবিত সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রস্তাব, মতামত ও উদ্বেগ কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ডিবিএর মতে, বিএসইসির এই সময়োপযোগী ও বাজারবান্ধব উদ্যোগ দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা একটি ভারসাম্যপূর্ণ, আধুনিক ও ভবিষ্যতমুখী নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি এটি বাজারে সুশৃঙ্খলতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংগঠনটি আশা প্রকাশ করেছে, অচিরেই সংশোধিত মার্জিন বিধিমালার খসড়া জনমত গ্রহণের জন্য প্রকাশ করা হবে। খসড়া প্রকাশের পর তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় মতামত ও সুপারিশ বিএসইসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করবে ডিবিএ।
ডিবিএর সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী, আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব করতে বিএসইসি যে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, ডিবিএ তা সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করে। ভবিষ্যতেও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রমে কমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে সংগঠনটি।
ডিবিএ আরও মনে করে, অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে যুগোপযোগী ও কার্যকর মার্জিন বিধিমালা প্রণয়ন করা হলে তা শুধু ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য নয়, বরং বিনিয়োগকারীসহ পুরো পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই বিধিমালাটি চূড়ান্ত করার আগে জনমত গ্রহণের উদ্যোগকে তারা একটি ইতিবাচক ও অংশগ্রহণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
