বাংলাদেশের টেলিকম বাজারে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্র্যান্ড পরিবর্তন আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬, রবি আজিয়াটা বাংলাদেশে এয়ারটেলের পরিবর্তে ‘সার্কেল’ ব্র্যান্ড চালু করেছে। বিদ্যমান এয়ারটেল গ্রাহকদের ০১৬ নম্বর, প্যাকেজ, সার্ভিস, ব্যালেন্স এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) সুবিধা অপরিবর্তিত থাকছে। নতুন ব্র্যান্ডটি মূলত তরুণ ও ডিজিটাল-নির্ভর গ্রাহকদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।
কিন্তু আমার কাছে বড় প্রশ্ন হলো-এটি কি সফল ব্র্যান্ড বিবর্তন, নাকি দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া ব্র্যান্ড-ইকুইটি বিসর্জন দিয়ে নতুন করে পরিচয় তৈরির একটি ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টা?
আমার বিশ্লেষণ-দুটোরই সম্ভাবনা আছে। ইতিহাসটা একটু পরিষ্কার করা দরকার
অনেকে ওয়ারিদ থেকে এয়ারটেল, এরপর রবি এবং এখন সার্কেল-এই পুরো ঘটনাকে ধারাবাহিকভাবে কয়েকবার নাম পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। আসলে বিষয়টি এতটা সরল নয়।
বাংলাদেশে ওয়ারিদ ২০০৭ সালে কার্যক্রম শুরু করে। ২০১০ সালে ভারতের ভারতী এয়ারটেল ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করে এবং একই বছরের ডিসেম্বর থেকে ওয়ারিদের কার্যক্রম এয়ারটেল নামে পরিচালিত হয়।
অন্যদিকে, একেটেল ছিল আলাদা একটি অপারেটর। ২০১০ সালে সেটি রবি নামে পুনঃব্র্যান্ডিং করা হয়। পরে ২০১৬ সালে এয়ারটেল বাংলাদেশের সঙ্গে রবির একীভূতকরণ সম্পন্ন হয়। তবে এয়ারটেলকে সরাসরি বিলুপ্ত না করে রবি দ্বৈত-ব্র্যান্ড কৌশল গ্রহণ করে। রবি মূল ব্র্যান্ড হিসেবে থাকে, আর তরুণদের জন্য আলাদা ভোক্তা ব্র্যান্ড হিসেবে এয়ারটেলকে রাখা হয়।
অর্থাৎ-ওয়ারিদ → এয়ারটেল ছিল মালিকানা পরিবর্তন ও বৈশ্বিক ব্র্যান্ডে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত।
এয়ারটেল + রবি ছিল করপোরেট একীভূতকরণ ও দ্বৈত-ব্র্যান্ড কৌশল।
আর এয়ারটেল → সার্কেল হচ্ছে ভোক্তা ব্র্যান্ডের বিবর্তন ও পুনঃঅবস্থান নির্ধারণ।
তিনটি সিদ্ধান্তের ব্যবসায়িক প্রেক্ষাপটও তাই আলাদা।
তাহলে সার্কেল কেন?
আমার দৃষ্টিতে এর পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে।
প্রথমত, এয়ারটেলের পুরোনো তরুণ-কেন্দ্রিক অবস্থানকে নতুনভাবে তৈরি করা। বাংলাদেশে এয়ারটেল দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। রবি নিজেও বলেছে, সার্কেল এয়ারটেলের ১৬ বছরের তরুণ-কেন্দ্রিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে।
নতুন ব্র্যান্ডের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বিনোদন, গেমিং, কনটেন্ট তৈরি, অনলাইন কমিউনিটি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিজিটাল অভিজ্ঞতার ওপর।
অর্থাৎ, কোম্পানি শুধু একটি সিম ব্র্যান্ড পরিবর্তন করতে চাইছে না; বরং ‘টেলিকম ব্র্যান্ড’ থেকে ‘ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড’-এ যাওয়ার চেষ্টা করছে।
কৌশলগতভাবে এটি যথেষ্ট যৌক্তিক।
তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন-ব্র্যান্ড-ইকুইটি কোথায় যাবে?
একটি ব্র্যান্ডের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার লোগো নয়, মানুষের মনে থাকা স্মৃতি।
এয়ারটেল নামটি বাংলাদেশে ১৬ বছর ধরে তৈরি হয়েছে। একজন গ্রাহকের সিম নম্বর, বিজ্ঞাপন, গান, প্রচারণা, বন্ধুমহল কিংবা তরুণ সংস্কৃতির সঙ্গে এয়ারটেলের এক ধরনের আবেগগত সম্পর্ক তৈরি হয়ে থাকতে পারে।
এখন সেই পরিচিত নামটি সরিয়ে সেখানে বসছে সার্কেল।
প্রশ্ন হলো-এয়ারটেলের সেই আবেগগত ব্র্যান্ড-ইকুইটির কতটা সার্কেলের কাছে স্থানান্তরিত হবে?
এখানেই আসল পরীক্ষা।
কারণ ব্র্যান্ডের নাম বদলানো যায় একদিনে; কিন্তু মানুষের মনে থাকা পরিচয় বদলাতে বছরের পর বছর লাগে।
রবির জন্য এটি বড় সুযোগও
এখানে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। রবি বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর। বিটিআরসির মার্চ ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, রবির সক্রিয় গ্রাহক ছিল প্রায় ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার। একই সময়ে গ্রামীণফোনের সক্রিয় গ্রাহক ছিল প্রায় ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার।
২০২৫ সালের শেষেও রবির গ্রাহকসংখ্যা ছিল প্রায় ৫ কোটি ৭৪ লাখ। ওই বছর তিনটি বেসরকারি অপারেটরের মধ্যে রবি-ই গ্রাহকসংখ্যায় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল।
অর্থাৎ, রবি এখন এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যেখানে শুধু গ্রাহক বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; গ্রাহকের মূল্য, ব্যবহার এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমও বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৫ সালে রবির সক্রিয় গ্রাহকদের ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ ডেটা ব্যবহারকারী এবং ৬৯ দশমিক ৫ শতাংশ ৪জি ব্যবহারকারী ছিল। এটি কোম্পানির ডিজিটাল-কেন্দ্রিক গ্রাহকভিত্তির একটি শক্তিশালী ভিত্তি নির্দেশ করে।
সুতরাং সার্কেল সফল হলে এটি রবির জন্য তরুণ-কেন্দ্রিক একটি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হয়ে উঠতে পারে।
তাহলে কি এটি পরিচয় সংকট?
আমার উত্তর-এখনই একে পরিচয় সংকট বলা যাবে না।
বরং আমি একে বলব উচ্চঝুঁকির ব্র্যান্ড রূপান্তর।
তবে ভুলভাবে বাস্তবায়ন করা হলে এটি অবশ্যই পরিচয় সংকটে পরিণত হতে পারে।
সমস্যা তখনই হবে, যখন গ্রাহক মনে করবেন—‘এয়ারটেলের নামটাই তো বদলে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নতুন সার্কেলে আসলে নতুন কী?’
শুধু নতুন লোগো, নতুন রং কিংবা নতুন বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্র্যান্ড তৈরি হয় না।
ব্র্যান্ডের প্রতিশ্রুতি, পণ্যের অভিজ্ঞতা, মূল্য নির্ধারণ, গ্রাহকসেবা, কমিউনিটি এবং আবেগগত সংযোগ—সবকিছুকে নতুন পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়।
সার্কেল সফল হবে কোন শর্তে?
আমার মতে অন্তত পাঁচটি বিষয় এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত, এয়ারটেলের ব্র্যান্ড-ইকুইটি নষ্ট না করে তা স্থানান্তর করতে হবে।
সার্কেলের বার্তা হওয়া উচিত-‘আমরা এয়ারটেলকে মুছে ফেলিনি; এয়ারটেলের শক্তিকে নতুন প্রজন্মের জন্য বিবর্তিত করেছি।’
এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনো গ্রাহকের যেন মনে না হয়, ‘আমার পরিচিত ব্র্যান্ডটি হারিয়ে গেল।’ বরং তার মনে হওয়া উচিত, ‘আমার ব্র্যান্ডটি নতুন রূপে এসেছে।’
দ্বিতীয়ত, সার্কেলের নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে হবে।
‘তরুণদের ব্র্যান্ড’-এটি খুব সাধারণ একটি অবস্থান। বাংলাদেশে প্রায় সব টেলিকম ব্র্যান্ডই তরুণদের লক্ষ্য করে।
তাই সার্কেলকে একটি নির্দিষ্ট জায়গা নিজেদের করে নিতে হবে।
যেমন-সংযোগ, কমিউনিটি, বিনোদন এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের অর্থনীতি-এই চারটি বিষয়কে একসঙ্গে নিয়ে এগোনো যেতে পারে।
অর্থাৎ, সার্কেল শুধু সিম নয়; তরুণদের ডিজিটাল বৃত্ত-এই ধারণা যদি ধারাবাহিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা যায়, তাহলে নামটিও অর্থপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তৃতীয়ত, বিজ্ঞাপনের আগে পণ্য ও সেবা।
বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্র্যান্ড প্রচারণায় বিপুল অর্থ ব্যয় করে; কিন্তু গ্রাহকসেবা, নেটওয়ার্কের মান কিংবা পণ্যের অভিজ্ঞতায় একই মনোযোগ দেখা যায় না।
সার্কেলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হতে পারে রবির বিদ্যমান নেটওয়ার্ক অবকাঠামো।
২০২৫ সালের শেষে রবির ৪জি সাইট ছিল ১৯ হাজারের বেশি এবং জনসংখ্যার প্রায় ৯৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ নেটওয়ার্ক কাভারেজের আওতায় ছিল বলে কোম্পানির পারফরম্যান্স প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ, সার্কেলের ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি ভালো হওয়ার সঙ্গে নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতাও ভালো হলে তৈরি হবে প্রকৃত ব্র্যান্ড আস্থা।
শুধু বিজ্ঞাপন দিয়ে নয়।
চতুর্থত, সার্কেলকে কমিউনিটি ব্র্যান্ডে পরিণত করতে হবে।
আমার কাছে সার্কেল নামটির সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা এখানেই।
‘সার্কেল’ শব্দটির মধ্যেই কমিউনিটির ধারণা রয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, গেমার, কনটেন্ট নির্মাতা, ফ্রিল্যান্সার, তরুণ উদ্যোক্তা, সংগীতপ্রেমী ও ক্রীড়াপ্রেমীদের নিয়ে আলাদা আলাদা ডিজিটাল কমিউনিটি তৈরি করা যেতে পারে।
যেমন-সার্কেল গেমিং, সার্কেল ক্রিয়েটর, সার্কেল ক্যাম্পাস, সার্কেল মিউজিক, সার্কেল স্পোর্টস কিংবা সার্কেল উদ্যোক্তা।
তাহলে ব্র্যান্ড শুধু সিম বিক্রি করবে না; একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করবে।
পঞ্চমত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কথা বললেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্র্যান্ড হয়ে ওঠা যায় না।
রবি জানিয়েছে, সার্কেল ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তিভিত্তিক সেবার দিকে যাবে।
উদ্যোগটি ভালো। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন শুধু বিপণনের শব্দ হয়ে না থাকে।
ব্যক্তিকেন্দ্রিক অফার, স্মার্ট গ্রাহকসেবা, কনটেন্ট সুপারিশ, গেমিং অভিজ্ঞতা, প্রতারণা শনাক্তকরণ, ডিজিটাল সহকারী কিংবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ডেটা ব্যবস্থাপনার মতো সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করা গেলে সার্কেল সত্যিকার অর্থেই ভবিষ্যতমুখী ব্র্যান্ড হতে পারবে।
সার্কেল কি বাংলাদেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড হতে পারবে?
এখানে আমার উত্তর একটু ভিন্ন। সার্কেলের লক্ষ্য শুধু ‘বাংলাদেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটর’ হওয়া উচিত নয়। কারণ টেলিকম অবকাঠামো ও লাইসেন্সের দিক থেকে অপারেটর হলো রবি আজিয়াটা। সার্কেলের লক্ষ্য হওয়া উচিত-বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী তরুণ-কেন্দ্রিক ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড হওয়া। আর রবির লক্ষ্য হতে পারে-বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সংযোগ ও সেবা ইকোসিস্টেম হিসেবে আরও শক্তিশালী হওয়া।
এই দুটি অবস্থান একে অপরকে শক্তিশালী করতে পারে।
সবচেয়ে বড় শিক্ষা-ব্র্যান্ডের নাম নয়, ব্র্যান্ডের অর্থ
আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটি ধারণা প্রায়ই দেখা যায়-নাম পরিবর্তন করলেই ব্র্যান্ড নতুন হয়ে যায়।
আসলে তা নয়।
একটি ব্র্যান্ডের চারটি স্তর রয়েছে-
নাম → পরিচয় → অভিজ্ঞতা → অর্থ
নাম পরিবর্তন করা সবচেয়ে সহজ।
লোগো পরিবর্তনও সহজ।
বিজ্ঞাপন প্রচারণা করাও সহজ।
কিন্তু মানুষের মনে নতুন অর্থ তৈরি করা সবচেয়ে কঠিন।
আমার মূল্যায়ন
আমার বিশ্লেষণে সার্কেল কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নয়। বরং সময়ের সঙ্গে ভোক্তার আচরণ পরিবর্তিত হওয়ায় এটি একটি যৌক্তিক কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে।
তবে এটি একই সঙ্গে উচ্চঝুঁকি ও উচ্চসম্ভাবনার কৌশল।
কারণ এয়ারটেল ইতোমধ্যে একটি পরিচিত ব্র্যান্ড ছিল। নতুন সার্কেলকে সেই সঞ্চিত আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আবার অর্জন করতে হবে।
ভালো দিক হলো, গ্রাহকের নম্বর, প্যাকেজ, ব্যালেন্স, এমএফএস ও সেবা অব্যাহত থাকায় পরিবর্তনের পরিচালনাগত ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে।
কিন্তু আবেগগত ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
আমার চোখে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছর হবে সার্কেলের আসল পরীক্ষা।
যদি সার্কেল-
এয়ারটেলের ব্র্যান্ড-ইকুইটি + রবির নেটওয়ার্ক শক্তি + ডিজিটাল উদ্ভাবন + কমিউনিটি তৈরি + তরুণ সংস্কৃতি
-এই পাঁচটি শক্তিকে একত্র করতে পারে, তাহলে এটি বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী তরুণ ব্র্যান্ড হয়ে উঠতে পারে।
আর যদি বিষয়টি শুধু-নতুন লোগো + নতুন নাম + কিছু বিজ্ঞাপন + কিছু অফার
-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সার্কেল আরেকটি নাম পরিবর্তন হিসেবেই ইতিহাসে থেকে যাবে।
শেষ কথা একটাই-
ব্র্যান্ডের নাম মানুষকে প্রথমবার আকৃষ্ট করে; কিন্তু অভিজ্ঞতা মানুষকে সারাজীবন ধরে রাখে। ওয়ারিদের পর এয়ারটেল এসেছে, এয়ারটেলের পর সার্কেল এসেছে। এখন প্রশ্ন নামের নয়-সার্কেল মানুষের মনে কী অর্থ তৈরি করবে? সময়ই তার উত্তর দেবে।
এম. তৌফিক
ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, ব্যবসা উন্নয়ন, বিক্রয় কৌশল ও ব্র্যান্ডিং বিশ্লেষক
