Saturday, October 10

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় আনা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত স্কুলছাত্রীর সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টার পর সুমনকে কুমিল্লায় আনা হয় বলে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল এ ঘটনা তদন্ত করছে। চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে কুমিল্লায় আনা হয়।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সুমন ছাড়া এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুমন যাঁদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন, তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে ঠিক কতজন জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান সুমনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে।

গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার একটি ধানক্ষেত থেকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত কিশোরী যশোর সদর উপজেলার আব্দুল আলিমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আব্দুল আলিম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা অঞ্চলে চাকরি করেন। পরিবারটি নগরীর রেসকোর্স এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকত।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।

ম্যাংগোটিভি / আরএইচ

Share.
Exit mobile version