Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    শেরপুরের সহিংসতায় উদ্বেগ, শান্ত থাকার আহ্বান সরকারের

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

    আওয়ামী লীগের নিরপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে থাকবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

    জানুয়ারি ২৮, ২০২৬

    আগে এক লাখ টাকা ঘুস দিতে হতো, এখন লাগে ১০ লাখ: আজম জে চৌধুরী

    জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Thursday, January 29
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    MangoTV
    Demo
    • খবর
      • জাতীয়
      • আন্তর্জাতিক
      • রাজনীতি
      • আইন ও বিচার
      • অপরাধ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • রাজধানী
      • সারাদেশ
      • লাইফস্টাইল
    • খেলা
      • ক্রিকেট
      • ফুটবল
      • অন্যান্য খেলা
    • বিজনেস
      • ব্যাংক ও বীমা
      • শেয়ারবাজার
      • বাজারদর
    • বিনোদন
    • ক্যারিয়ার ও জবস
    • প্রবাস
    • ফিচার
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • সাক্ষাৎকার
    • অন্যান্য
      • অটোমোবাইল
    MangoTV
    Home » নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা
    রাজনীতি

    নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা

    By adminজানুয়ারি ২৪, ২০২৬8 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা তার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। গ্যাস সংকট, জলাবদ্ধতা নিরসন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, শিক্ষা, অর্থনীতি ও এমপির জবাবদিহিতাকে গুরুত্ব দিয়ে এই ইশতেহার উপস্থাপন করেন তিনি।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে ইশতেহার ঘোষণা করেন তাসনিম জারা।

    ইশতেহারে তাসনিম জারা উল্লেখ বলেন, ঢাকা-৯ এই শহরের প্রাণ, অথচ আমাদের সঙ্গেই বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। আমরা গুলশান-বনানীর সমান ট্যাক্স দেই, সমান বিল দেই, কিন্তু সেবা পাই তৃতীয় শ্রেণির। ভোটের সময় নেতারা আসেন, ভোট নেন, তারপর উধাও হয়ে যান। রাষ্ট্র আমাদের কেবল ‘রাজস্ব আদায়ের উৎস’ মনে করে। টাকা নেওয়ার সময় আছেন, কিন্তু সেবা দেওয়ার সময় নেই।

    আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার কথা পরিষ্কার—ঢাকা ৯ কে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সমান ট্যাক্স দেই, আমাদের অধিকারও সমান। আমাদের ন্যায্য পাওনা এবার আমরা বুঝে নেব।

    এক. গ্যাস, রাস্তা ও জলাবদ্ধতা : বাসযোগ্য ঢাকা-৯ চাই

    সমস্যা : প্রতি মাসে আমরা গ্যাসের জন্য বিল দিচ্ছি। কিন্তু চুলা জ্বালালে কী বের হয়? বাতাস। গ্যাস নেই, কিন্তু বিল ঠিকই দিতে হচ্ছে। এটা এক ধরনের প্রতারণা। এর সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে আমাদের জিম্মি করে ফেলে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য অব্যবস্থাপনা। যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে বাসার পাশে ও রাস্তায় দুর্গন্ধে টেকা দায়। রাস্তাগুলো বছরের পর বছর ভাঙাচোরা বা কাজ চলমান অবস্থায় পড়ে থাকে।

    সমাধান
    ক. ন্যায্য বিল : সংসদে আমার প্রথম কাজ হবে ‘সেবা না দিলে বিল নেই (নো সার্ভিস, নো বিল)’ নীতির জন্য খসড়া আইন প্রস্তাব এবং চাপ সৃষ্টি করা। তিতাস যদি গ্যাস দিতে না পারে, তারা টাকা নিতে পারবে না। গ্যাস না থাকলে মাসিক বিল মওকুফ করার প্রস্তাব থাকবে এই বিলে।

    খ. সিন্ডিকেট ভাঙব : পাইপলাইন গ্যাসের ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরকারকে এই এলাকায় ভর্তুকি মূল্যে বা ন্যায্যদামে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাধ্য করব। সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে চাপ দেব।

    গ. জলাবদ্ধতা নিরসন : ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বর্ষার আগেই খাল ও নর্দমা পরিষ্কার নিশ্চিত করতে আমি ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের ওপর কঠোর নজরদারি রাখব।

    ঘ. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পার্ক : ঘরের সামনে বা রাস্তায় ময়লার স্তূপ জমতে দেওয়া হবে না। আধুনিক বর্জ্য অপসারণ (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন) ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এবং এলাকার পার্কগুলোতে হাঁটার পরিবেশ উন্নত করতে সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়ে কাজ করব।

    ঙ. সমন্বয় ও জবাবদিহিতা : রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা চলবে না। ওয়াসা বা সিটি করপোরেশন, যে-ই রাস্তা কাটবে, কাজ শেষ করার নির্দিষ্ট ‘ডেডলাইন’ থাকবে। ডেডলাইন মিস করলে ঠিকাদারকে জরিমানা গুনতে হবে।

    দুই. স্বাস্থ্য : চিকিৎসায় অবহেলা আর মানব না

    সমস্যা : ঢাকা-৯ এলাকায় আমরা সাত-আট লাখ মানুষ বাস করি, অথচ আমাদের জন্য বড় হাসপাতাল মাত্র একটি, মুগদা মেডিকেল। এটা একটা নিষ্ঠুর কৌতুক। ৫০০ বেডের এই হাসপাতালে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ডাক্তার-নার্সরা অমানবিক চাপে কাজ করছেন, আর রোগীরা সেবা না পেয়ে ধুঁকছেন। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো ডেঙ্গু। প্রতি বছর বর্ষা এলেই লোক দেখানো মশার ওষুধ ছিটানো হয়, অথচ আমাদের প্রিয়জনরা মারা যায়।

    সমাধান : একজন ডাক্তারের হাতেই সমাধান হবে ঢাকা-৯ এর স্বাস্থ্য সমস্যা। আমি একজন ডাক্তার। আমার দেশ-বিদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি এই সমস্যা সমাধানে কাজ করব।

    ক. মুগদা হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি সচল রাখতে আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করব এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহিতার আওতায় আনব। এটি যেন একটি আদর্শ সেবাকেন্দ্র হয়, সেই উদ্যোগ আমি নেব।

    খ. কমিউনিটি ক্লিনিক হবে ‘মিনি-হাসপাতাল’ : পাড়ার ক্লিনিকগুলোকে আধুনিকায়নে বিশেষ বরাদ্দ আনার উদ্যোগ নেব, যাতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বড় হাসপাতালে ছুটতে না হয়।

    গ) ডেঙ্গু টাস্কফোর্স (সারা বছর) : বৃষ্টি আসার পর ওষুধ ছিটিয়ে লাভ নেই। আমরা একটি ‘স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড’ গঠন করব, যারা সারা বছর ড্রেন পরিষ্কার ও লার্ভা নিধনের কাজ করবে। ডেঙ্গু মৌসুম আসার আগেই আমরা মশা মারব।

    ঘ) নারী স্বাস্থ্য : গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এবং হাসপাতাল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী-বান্ধব টয়লেট ও ব্রেস্ট ফিডিং নিশ্চিত করতে কাজ করব।

    তিন. নিরাপত্তা : মাদক সিন্ডিকেট হটিয়ে রাস্তা হবে জনগণের

    সমস্যা : আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট এখন সাধারণ মানুষের নেই, চলে গেছে মাদক সিন্ডিকেটের দখলে। সন্ধ্যার পর খিলগাঁও বা বাসাবোর অলিগলি দিয়ে মা-বোনেরা হাঁটতে ভয় পান। যে শহর নারীকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে শহর উন্নত হতে পারে না। আমরা ট্যাক্স দিই রাস্তার বাতির জন্য, আর সেই বাতি নষ্ট থাকে, যাতে অপরাধীরা অন্ধকারে রাজত্ব করতে পারে।

    সমাধান
    ক. ‘নিরাপদ করিডোর’: স্কুল, কলেজ এবং গার্মেন্টসের রাস্তায় আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সিসি ক্যামেরা এবং উচ্চ-ক্ষমতার ল্যাম্পপোস্ট বসাব। অন্ধকার রাস্তা মানেই অপরাধের আখড়া। আমি ঢাকা-৯ এর কোনো কোণা অন্ধকার থাকতে দেব না।

    খ. মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ : মাদকাসক্তদের আমরা ঘৃণা করব না, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। কিন্তু যারা মাদক ব্যবসা করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে, তাদের আমরা এক বিন্দু ছাড় দেব না। প্রশাসনকে সাথে নিয়ে এলাকা মাদক-ব্যবসায়ী মুক্ত করব।

    গ. নারীবান্ধব পরিবহণ : বাসে নারীদের সিট পাওয়া যুদ্ধজয়ের মতো। আমি পরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের সাথে বসে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যাবস্থা তৈরি করব।

    চার. শিক্ষা : আমাদের সন্তানদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হোক

    সমস্যা : অপরিকল্পিত কারিকুলাম আর ঘন ঘন নীতি পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের ‘গিনিপিগ’ বানিয়ে ফেলেছে। তার ওপর আছে স্কুলের ‘ভর্তি বাণিজ্য’। টাকা বা সুপারিশ ছাড়া ভালো স্কুলে ভর্তি হওয়া যায় না। এই দুর্নীতি আমাদের মেধাবী সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে।

    সমাধান : আমি বিশ্বমানের শিক্ষা লাভ করার সুযোগ পেয়েছি। আমি চাই আমার এলাকার প্রতিটি সন্তান যেন বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করার জন‍্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

    ক. এমপির কোনো কোটা থাকবে না : আমি কথা দিচ্ছি, স্কুল ভর্তিতে এমপির কোনো সুপারিশ বা কোটা থাকবে না। ভর্তি বাণিজ্য আমি কঠোর হাতে দমন করব। মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে একমাত্র যোগ্যতা।

    খ. স্কুল হবে ল্যাবরেটরি : আমার বরাদ্দের টাকা দিয়ে আমি স্কুলগুলোতে আধুনিক সায়েন্সল্যাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এবং কোডিং শেখানোর ব্যবস্থা করব। এতে আমাদের ছেলেমেয়েরা ফ্রিল্যান্সিং বা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে পারবে। প্রত্যেকটি স্কুলে লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে, যাতে আমাদের শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ যথাযথভাবে ঘটে।

    গ. স্মার্ট প্রজন্ম : শুধু বইয়ের পড়া নয়, মানসিক স্বাস্থ্য, সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার ওপর জোর দেব। আমাদের তরুণরা যেন বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করার উপযুক্ত হয়ে গড়ে উঠতে পারে।

    ঘ. অভিভাবক-শিক্ষক ফোরাম : শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য সংসদে লড়ব। একইসাথে স্কুলে বুলিং বা হয়রানি বন্ধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করব। স্কুলগুলোতে যেন অভিভাবক-শিক্ষক ফোরাম তৈরি হয় এবং তা যথাযথভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করব।

    পাঁচ. অর্থনীতি ও জীবিকা : মেধা আমাদের সবার, সুযোগ কেন কেবল ধনীদের?

    সমস্যা : আমাদের অনেক তরুণ-তরুণীরা বেকার, কারণ সিস্টেম তাদের পক্ষে নেই। তাদের মেধা আছে, কিন্তু পুঁজি নেই। রাষ্ট্র কেবল বড় শিল্পপতিদের ঋণ মওকুফ করে, কিন্তু আমাদের ছোট ব্যবসায়ী বা নতুন উদ্যোক্তারা ব্যাংকের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে যায়। আমাদের মায়েরা কাজ করতে চান, কিন্তু ডে-কেয়ার সেন্টার না থাকায় সন্তানকে ঘরে রেখে তারা কাজে যেতে পারেন না। এটা অর্থনীতির ব্যর্থতা।

    সমাধান
    ক. ‘স্টার্ট-আপ ঢাকা-৯’ ফান্ড : আমি এমপি হলে আমার বিশেষ বরাদ্দ থেকে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ‘সিডিং ফান্ড’ বা প্রাথমিক পুঁজির ব্যবস্থা করব। জামানত ছাড়া সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার জন্য আমি ব্যাংকের সাথে লড়াই করব।

    খ. কর্মজীবী মায়েদের মুক্তি : প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারি খরচে বা ভর্তুকি দিয়ে ‘কমিউনিটি ডে-কেয়ার সেন্টার’ চালু করব, যাতে মায়েরা নিশ্চিন্তে কাজে যেতে পারেন।

    গ. শ্রমিকের মর্যাদা : গৃহকর্মী থেকে শুরু করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক, সবার জন্য ‘ন্যায্য মজুরি’ ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমি সংসদে কথা বলব, কেউ যেন তাদের দুর্বলতার সুযোগ না নিতে পারে।

    ঘ. স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য ই-কমার্স প্রশিক্ষণ ও অনলাইন মার্কেট অ্যাক্সেস নিশ্চিত করব, যেন তারা শুধু দোকানে নয়, মোবাইলেও ব্যবসা করতে পারেন। আরও বেশি কাস্টোমারকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

    ছয়. এমপির জবাবদিহিতা : আমি ‘অতিথি পাখি’ নই, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে

    সমস্যা : ভোটের আগে নেতারা পায়ে ধরেন, আর ভোটের পরে তাদের টিকিটিও দেখা যায় না। এমপি সাহেব থাকেন গুলশানে বা সংসদে, আর আপনারা থাকেন সমস্যায়। এমপিকে পাওয়া যেন ভাগ্যের ব্যাপার। এই সংস্কৃতি আর কতদিন?

    সমাধান
    ক. এলাকায় স্থায়ী কার্যালয় : আমি নির্বাচিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে এলাকার প্রাণকেন্দ্রে আমার স্থায়ী অফিস চালু করব। কর্মজীবীদের সুবিধার্থে এটি সন্ধ্যায়ও খোলা থাকবে। আমি ও আমার অফিসের স্টাফরা আপনাদের জানানো সমস্ত সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করব।

    খ. ওপেন ড্যাশবোর্ড : আপনার অভিযোগ কোনো ফাইলে চাপা পড়ে থাকবে না। আমরা ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড করব, যেখানে আপনারা দেখতে পাবেন আপনার অভিযোগের বর্তমান অবস্থা কী।

    গ. কোনো প্রটোকল নয় : আমাদের সাথে কথা বলতে কোনো ‘ভাই’ বা ‘নেতা’ ধরার প্রয়োজন পড়বে না।

    স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা আরও বলেন, আমার এলাকাবাসী, আপনাদেরকে একটা কথা বিশেষভাবে বলতে চাই। আমি কোনো পেশাদার রাজনীতিবিদ নই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে, তাই রাজনীতিতে এসেছি। আমার এই ইশতেহার কোনো গতানুগতিক ‘ফাঁকা বুলি’ নয়। এটি আপনাদের সাথে আমার চুক্তি। আমি যা লিখেছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করব, সেই পরিকল্পনা করেই মাঠে নেমেছি।

    আপনারা অনেক নেতা দেখেছেন, অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন, যে ডাক্তার জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা, যে ডাক্তার কথা রাখে, যে ডাক্তার বিপদে পাশে এসে দাঁড়ায়। এমন একজন শিক্ষিত সন্তানকে সুযোগ দিন, যে আপনাদের মাথানত হতে দেবে না।

    ঢাকা ৯ এর ভাগ্য বদলাতে, গ্যাস-পানির অধিকার আদায় করতে এবং মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে, আসন্ন নির্বাচনে ‘ফুটবল’ মার্কায় ভোট দিন। আপনারা আমার শক্তি হোন, আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর হব। বিজয় আমাদের হবেই, ইনশাআল্লাহ।

    ম্যাংগোটিভি /আরএইচ

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
    Previous Articleআইসিসির সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ড
    Next Article মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭১০০ ফাইভজি প্রসেসরে স্মার্টফোন আনছে ইনফিনিক্স

    Related Posts

    শেরপুরের সহিংসতায় উদ্বেগ, শান্ত থাকার আহ্বান সরকারের

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

    আওয়ামী লীগের নিরপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে থাকবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

    জানুয়ারি ২৮, ২০২৬

    আগে এক লাখ টাকা ঘুস দিতে হতো, এখন লাগে ১০ লাখ: আজম জে চৌধুরী

    জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
    Demo
    আরও দেখুন

    শেরপুরের সহিংসতায় উদ্বেগ, শান্ত থাকার আহ্বান সরকারের

    আওয়ামী লীগের নিরপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে থাকবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

    আগে এক লাখ টাকা ঘুস দিতে হতো, এখন লাগে ১০ লাখ: আজম জে চৌধুরী

    ব্যাংক খাতের ধস সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ছাপাতে হয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

    Demo
    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    ম্যাংগো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড-এর
    একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
    • ঠিকানা: ৩/১ বি, ২য় তলা, ব্লক-বি, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭
    • মোবাইল নম্বর: ‪+৮৮০১৬১০৬০০০৭০‬
    • ইমেইল: ‪info@mangotv.net

    সম্পাদক ও প্রকাশক
    মুহম্মদ তৌফিকুল ইসলাম

    আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
    Facebook Youtube Instagram
    • আমাদের সম্পর্কে
    • গোপনীয়তার নীতি
    • নীতিশর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা
    স্বত্ব © ম্যাংগো টিভি ২০১২-২০২৫