পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মুনাফা, বিক্রয় ও নগদ প্রবাহসহ গুরুত্বপূর্ণ সব আর্থিক সূচকে প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির কর পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৬৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বেশি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির বিক্রয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ২১৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বেড়েছে। পাশাপাশি স্থিতিশীল বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে কাঁচামাল ক্রয়ের কারণে কোম্পানির মুনাফা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে (জুলাই-ডিসেম্বর) ওয়ালটনের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৯০ পয়সা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ১৪ পয়সা। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) পুনর্মূল্যায়ন ব্যতীত দাঁড়িয়েছে ২৫৭ টাকা ২৪ পয়সা, আর পুনর্মূল্যায়নসহ ৩৫৮ টাকা ৪১ পয়সা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ৪১ পয়সা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৬ টাকা ৩০ পয়সা। অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোর এই উল্লেখযোগ্য উন্নতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ বৃদ্ধি এবং কাঁচামাল ও অন্যান্য সরবরাহকারীদের অর্থ পরিশোধ ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ হ্রাস।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারের ওপর ভ্যাট ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হলেও ওয়ালটনের অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
ম্যাংগোটিভি /আরএইচ
