গত সপ্তাহে (১২–১৬ এপ্রিল) দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। একই সময়ে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিওর মূল্য কমে প্রায় ৩ হাজার ৩১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।
সপ্তাহের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা, যা শেষ কার্যদিবসে নেমে আসে ৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকায়। ফলে এক সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছে ০.৪৪ শতাংশ।
লেনদেনের দিক থেকেও ছিল নিম্নগতি। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ২৭৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৭৫ কোটি ১০ লাখ টাকা বা প্রায় ২ শতাংশ কম।
সূচকের চিত্রে দেখা যায়, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,২৫৭ পয়েন্টে। তবে শরিয়াহ সূচক সামান্য বেড়ে ১,০৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ সময়ে ডিএসইতে ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১৩টির দর বেড়েছে, ১৪২টির কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ–এও একই প্রবণতা দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে সেখানে লেনদেন হয়েছে ১৪৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭৬২ পয়েন্টে।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৯৫টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৪৭টির দর বেড়েছে, ১২১টির কমেছে এবং ২৭টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সার্বিকভাবে, সূচক ও লেনদেনে নিম্নগতি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
ম্যাংগোটিভি /আরএইচ

