ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ঐতিহাসিক অভিযান মাঝপথেই থেমে গেল। শেষ ভরসা হয়ে টিকে থাকা ইয়ট দ্য ম্যারিনেট আটক করেছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। এ সময় ইয়টটির ছয়জন আরোহীকেও আটক করা হয়।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় অগ্রসরমান পোল্যান্ডের পতাকাবাহী ইয়টে জোরপূর্বক ওঠে পড়ে ইসরায়েলি কমান্ডোরা। এর মধ্য দিয়ে কার্যত ৪৫টি জাহাজ নিয়ে শুরু হওয়া ফ্লোটিলার যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।

জানা গেছে, প্রায় ৫০০ অধিকারকর্মী এই অভিযানে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে বুধবার থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ইতোমধ্যেই দুই শতাধিক যাত্রীকে আটক করে ইসরায়েল। তাদের দক্ষিণাঞ্চলের কেটজিওট কারাগারে রাখা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন।

গ্রেটা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী আমাকে জোরপূর্বক আটক করেছে এবং আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইসরাইলে নিয়ে এসেছে। আমাদের উদ্যোগ ছিল মানবিক, অহিংস ও আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যেই।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, নৌবহরের যাত্রীরা সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন এবং বৈধ অবরোধ লঙ্ঘন করেছেন। তাদের ইউরোপে ফেরত পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়।

তেল আবিবের এ পদক্ষেপে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কুয়েতসহ একাধিক দেশ নিন্দা জানিয়েছে। তবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেছেন, এই জাহাজভরা ত্রাণে কোনো প্রভাব পড়বে না গাজা উপত্যকাবাসীর ওপর।

Share.
Exit mobile version