জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শাপলা প্রতীক পাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, আগামী রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে সংলাপ শুরু হবে। প্রথমে সুশীল সমাজ এবং শিক্ষক প্রতিনিধিদের দিয়ে শুরু হবে সংলাপ। নির্বাচনী আচরণবিধিমালা এবং প্রতীক ভেটিং হয়ে কমিশনে এসেছে, সেখানে প্রতীকের তালিকায় শাপলা নেই।
তিনি আরও বলেন, এনসিপিকে নতুন করে প্রতীক জমা দিতে হবে কমিশনের কাছে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
এর আগে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, তাদের দলের প্রতীক অবশ্যই শাপলা, সাদা শাপলা অথবা লাল শাপলা হতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রতীকগুলো নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা চলছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করেছি। নির্বাচন কমিশন ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই আমরা নিবন্ধন সার্টিফিকেট পাব বলে আশা করছি। সুখবর আসছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, এনসিপি সার্ভে চালিয়ে দেখেছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলটির প্রায় ১৫০ আসনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতির জন্য ইতোমধ্যে জেলার সমন্বয়কারীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এনসিপি নেতা জানান, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আলেম সমাজ, আইনজীবী, সাংবাদিক, শ্রমিক, মজুর, কৃষক, নারী এবং সাবেক সেনা সদস্যদের প্রার্থিতা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, এই গণঅভ্যুত্থানে যাঁরা লড়াই করেছেন, তাঁদের সবাইকে প্রার্থিতা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে।’
বিএনপির সম্ভাব্য আসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা ভোটাররা ঠিক করবেন। তবে আমাদের মূল্যায়নে বিএনপি ৫০ থেকে ১০০ আসনের ওপরে যাবে না। বাস্তব পরিস্থিতিও সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।’
ম্যাংগোটিভি/ আরএইচ
