Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২০৮০ মামলা

    জুলাই ২৮, ২০২৬

    দেশের ৬৪ জেলায় হবে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’

    জুলাই ২৮, ২০২৬

    মোনার্ক হোল্ডিংসের নিবন্ধন নবায়ন: ডিএসইর কাছে ব্যাখ্যা চাইল বিএসইসি

    জুলাই ২৮, ২০২৬
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Wednesday, July 29
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    MangoTV
    Demo
    • খবর
      • জাতীয়
      • আন্তর্জাতিক
      • রাজনীতি
      • আইন ও বিচার
      • অপরাধ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • রাজধানী
      • সারাদেশ
      • লাইফস্টাইল
    • খেলা
      • ক্রিকেট
      • ফুটবল
      • অন্যান্য খেলা
    • বিজনেস
      • ব্যাংক ও বীমা
      • শেয়ারবাজার
      • বাজারদর
    • বিনোদন
    • জবস
    • প্রবাস
    • ফিচার
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • অন্যান্য
      • সাক্ষাৎকার
      • অটোমোবাইল
    MangoTV
    Home » ইগো: আত্মমর্যাদার সীমা পেরোলেই আত্মবিনাশের শুরু
    ফিচার

    ইগো: আত্মমর্যাদার সীমা পেরোলেই আত্মবিনাশের শুরু

    By adminজুলাই ২৭, ২০২৬4 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    আজকের পৃথিবীতে মানুষ যতটা জ্ঞান, প্রযুক্তি ও সম্পদে এগিয়েছে, ততটাই বেড়েছে একটি অদৃশ্য শত্রুর প্রভাব-ইগো (Ego)। যুদ্ধ, সম্পর্কের ভাঙন, ব্যবসায়িক ব্যর্থতা, পারিবারিক অশান্তি কিংবা কর্মক্ষেত্রের দ্বন্দ্ব-অনেক সমস্যার পেছনেই কাজ করে এই একটি বিষয়। অনেকে মনে করেন, ইগো মানেই আত্মসম্মান। কিন্তু বাস্তবে আত্মসম্মান (Self-respect) এবং ইগো (Ego) এক জিনিস নয়। আত্মসম্মান মানুষকে সম্মানিত করে, আর ইগো মানুষকে একসময় একাকী করে দেয়।

    ইগো কী?

    মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, ইগো হলো নিজের পরিচয়, গুরুত্ব ও মূল্য সম্পর্কে মানুষের ধারণা। এটি মানুষের ব্যক্তিত্বের একটি স্বাভাবিক অংশ।

    কিন্তু যখন এই ধারণা অতিরিক্ত বেড়ে যায় এবং মানুষ মনে করতে শুরু করে—

    আমি সব জানি।
    আমি ভুল করতে পারি না।
    আমার সিদ্ধান্তই শেষ কথা।
    আমাকে কেউ শেখাতে পারবে না।
    আমার মর্যাদা সবার আগে।

    তখন সেই আত্মবিশ্বাস ধীরে ধীরে অহংকারে রূপ নেয়। আর সেখান থেকেই শুরু হয় সমস্যার।

    ইগো কেন জন্মায়?

    ইগো একদিনে তৈরি হয় না। এটি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে।

    ১. অতিরিক্ত সফলতা

    দীর্ঘদিন সফল হতে হতে অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে তারা ভুলের ঊর্ধ্বে।

    ২. ক্ষমতা

    ক্ষমতা মানুষকে বিনয়ীও করতে পারে, আবার অহংকারীও করতে পারে।

    ৩. অর্থ

    অর্থ মানুষের জীবন সহজ করে, কিন্তু অনেক সময় মানুষকে ভুলিয়ে দেয় যে অর্থ চিরস্থায়ী নয়।

    ৪. অতিরিক্ত প্রশংসা

    যে মানুষ সবসময় প্রশংসা শুনতে শুনতে বড় হয়, সে সমালোচনা সহ্য করতে শেখে না।

    ৫. অনিরাপত্তা

    অদ্ভুত হলেও সত্য—অনেক বড় ইগোর পেছনে থাকে ছোট আত্মবিশ্বাস।

    যারা ভিতরে ভিতরে দুর্বল, তারা অনেক সময় বাইরের অহংকার দিয়ে সেই দুর্বলতাকে ঢাকতে চায়।

    ইগোর সবচেয়ে বড় ক্ষতি
    ১. শেখার দরজা বন্ধ হয়ে যায়

    যে মানুষ মনে করে সে সব জানে, সে আর নতুন কিছু শেখে না।

    আর যে শেখা বন্ধ করে, সে উন্নতিও বন্ধ করে।

    ২. সম্পর্ক নষ্ট হয়

    ক্ষমা চাইতে না পারা…

    ধন্যবাদ বলতে না পারা…

    “আমি ভুল করেছি” বলতে না পারা…

    এসবই ইগোর লক্ষণ।

    একসময় সম্পর্ক ভেঙে যায়।

    ৩. ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়

    অনেক উদ্যোক্তা বাজার হারান, কারণ তারা গ্রাহকের কথা শোনেন না।

    অনেক কোম্পানি ধ্বংস হয়েছে শুধু এই বিশ্বাসে—

    “আমরাই ঠিক।”

    ৪. নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে যায়

    ভালো নেতা প্রশ্ন করেন।

    খারাপ নেতা শুধু আদেশ দেন।

    ইগো একজন নেতাকে পরামর্শ গ্রহণ থেকে বিরত রাখে।

    ৫. সিদ্ধান্ত ভুল হতে থাকে

    ইগো মানুষকে সত্য দেখতে দেয় না।

    সে শুধুই নিজের মতকে সত্য মনে করে।

    ৬. মানসিক শান্তি নষ্ট হয়

    ইগো সবসময় তুলনা করে।

    সে চায়—

    আমি বড় হব।
    আমি জিতব।
    আমি সেরা হব।

    ফলে সুখের পরিবর্তে জন্ম নেয় অস্থিরতা।

    দৈনন্দিন জীবনে ইগোর প্রভাব
    পরিবারে

    স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভেঙে যায় একটি বাক্যের জন্য—

    “আগে সে ক্ষমা চাইুক।”

    বন্ধুত্বে

    একটি ফোন না করার ইগো বছরের বন্ধুত্ব শেষ করে দিতে পারে।

    অফিসে

    যোগ্য কর্মী চাকরি ছাড়ে বসের ইগোর কারণে।

    ব্যবসায়

    অনেক উদ্যোক্তা গ্রাহকের অভিযোগ শুনতে চান না।

    ফলে গ্রাহক হারিয়ে যায়।

    সমাজে

    ইগো মানুষকে বিভক্ত করে।

    বিনয় মানুষকে এক করে।

    ইগো থেকে কেন বাঁচতে হবে?

    কারণ—

    ইগো আপনাকে সাময়িকভাবে বড় দেখাতে পারে।

    কিন্তু বিনয় আপনাকে দীর্ঘদিন বড় রাখবে।

    মানুষ আপনার পদবি ভুলে যাবে।

    সম্পদও একদিন কমে যেতে পারে।

    কিন্তু আপনার ব্যবহার মানুষ মনে রাখবে।

    ইগো থেকে মুক্তির উপায়
    ১. নিজের ভুল স্বীকার করুন

    “আমি ভুল করেছি।”

    এই পাঁচটি শব্দ দুর্বলতার নয়।

    এটি শক্তির পরিচয়।

    ২. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন

    যত শিখবেন…

    তত বুঝবেন…

    আপনি কত কম জানেন।

    ৩. সমালোচনা গ্রহণ করুন

    সব সমালোচনা শত্রুতা নয়।

    অনেক সমালোচনাই উন্নতির রাস্তা।

    ৪. কৃতজ্ঞতা চর্চা করুন

    প্রতিদিন ভাবুন—

    আজ যা পেয়েছি, তা একা পাইনি।

    ৫. ভালো শ্রোতা হোন

    কম বলুন।

    বেশি শুনুন।

    ৬. ক্ষমা চাইতে শিখুন

    ক্ষমা চাওয়া সম্মান কমায় না।

    বরং সম্মান বাড়ায়।

    ৭. মৃত্যুর কথা স্মরণ করুন

    এই পৃথিবীতে কেউ স্থায়ী নয়।

    যে সত্যটি মনে রাখে, তার ইগো কমে যায়।

    ৮. সেবার মনোভাব গড়ে তুলুন

    অন্যকে সাহায্য করলে অহংকার গলে যায়।

    সেবা মানুষকে মানুষ বানায়।

    আত্মসম্মান বনাম ইগো
    আত্মসম্মান ইগো
    নিজের মূল্য বোঝে নিজেকে সবার উপরে ভাবে
    সম্মান দেয় সম্মান আদায় করতে চায়
    শেখে শেখাতে চায়
    ভুল স্বীকার করে ভুল ঢাকে
    সম্পর্ক গড়ে সম্পর্ক ভাঙে
    শান্তি দেয় অস্থিরতা বাড়ায়
    শেষকথা

    মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু সবসময় বাইরের কেউ নয়; অনেক সময় সেটি তার নিজের ভেতরেই থাকে। ইগো আমাদের এমন এক আয়না দেখায়, যেখানে আমরা নিজেকে বাস্তবের চেয়ে বড় দেখি। অথচ সত্যিকারের মহত্ত্ব নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে নয়, বরং নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকারে।

    ইতিহাসে যাঁরা স্থায়ী সম্মান অর্জন করেছেন, তাঁরা কেবল জ্ঞানী বা সফল ছিলেন না—তাঁরা ছিলেন বিনয়ী। কারণ বিনয় মানুষকে মানুষের কাছে নিয়ে যায়, আর ইগো মানুষকে ধীরে ধীরে সবার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

    জীবনে বড় হওয়ার চেয়ে বড় কথা হলো ভালো মানুষ হওয়া। পদ, ক্ষমতা, অর্থ বা খ্যাতি একদিন কমে যেতে পারে; কিন্তু চরিত্র, নম্রতা ও সুন্দর ব্যবহারই একজন মানুষকে অমর করে রাখে।

    মনে রাখুন-
    ‘ইগো বলে: আমি সব জানি।
    প্রজ্ঞা বলে: আমি এখনও শিখছি।’

    লেখক: মুহম্মদ তৌফিকুল ইসলাম
    সম্পাদক ও প্রকাশক, ম্যাংগো টিভি।

    ম্যাংগোটিভি /আরএইচ

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
    Previous Article৩২ সাবেক ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর
    Next Article স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    Related Posts

    ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২০৮০ মামলা

    জুলাই ২৮, ২০২৬

    দেশের ৬৪ জেলায় হবে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’

    জুলাই ২৮, ২০২৬

    মোনার্ক হোল্ডিংসের নিবন্ধন নবায়ন: ডিএসইর কাছে ব্যাখ্যা চাইল বিএসইসি

    জুলাই ২৮, ২০২৬
    Demo
    আরও দেখুন

    ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২০৮০ মামলা

    দেশের ৬৪ জেলায় হবে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’

    মোনার্ক হোল্ডিংসের নিবন্ধন নবায়ন: ডিএসইর কাছে ব্যাখ্যা চাইল বিএসইসি

    দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

    Demo
    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    ম্যাংগো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড-এর
    একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
    • ঠিকানা: ৩/১ বি, ২য় তলা, ব্লক-বি, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭
    • মোবাইল নম্বর: ‪+৮৮০১৬১০৬০০০৭০‬
    • ইমেইল: ‪info@mangotv.net

    সম্পাদক ও প্রকাশক
    মুহম্মদ তৌফিকুল ইসলাম

    আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
    Facebook Youtube Instagram
    • আমাদের সম্পর্কে
    • গোপনীয়তার নীতি
    • নীতিশর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা
    স্বত্ব © ম্যাংগো টিভি ২০১২-২০২৬