জঙ্গি হামলার কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই জানিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান বলেছেন, ‘তারপরও আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
র্যাব ডিজি জানান, এবার নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বাধিক সংখ্যক সদস্য মাঠে থাকবে এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও আগের চেয়ে বেশি। তিনি বলেন, পুলিশ ২৫ হাজার বডি ক্যামেরা নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচন বিধি লঙ্ঘন করছেন তারা ধরা পড়ছেন। র্যাবসহ সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। কোনো কেন্দ্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হবে না বলে আমরা প্রত্যাশা করি।’ তিনি বলেন, কোনো কেন্দ্রে গণ্ডগোল হলে রিটার্নিং অফিসার ভোট গ্রহণ স্থগিত করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে সেখানে পুনরায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ঝুঁকির বিষয়ে শহিদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কোনো ঝুঁকি নেই। ঝুঁকি তাদের, যারা জাল ভোট দিতে যাবে, গণ্ডগোল করার চেষ্টা করবে বা আইন লঙ্ঘন করবে।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
র্যাবের অবস্থান তুলে ধরে ডিজি বলেন, নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে কাজ করছেন এবং নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা সতর্ক থাকবেন।
নির্বাচনে র্যাব সদস্যদের সংখ্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। র্যাব একা সব কেন্দ্র কভার করতে পারবে না। সব বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আছে।’
সারাদেশে র্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ৬৪ জেলা ও আটটি মেট্রোপলিটন এলাকায় র্যাবের টিম ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে এবং তারা নির্বাচনকালীন সময়জুড়ে মাঠে থাকবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে র্যাব মহাপরিচালক বলেন, আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।
ম্যাংগোটিভি /আরএইচ
