সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নিশ্চিত করেছে, বাংলাদেশের তাদের ফুয়েল টার্মিনালগুলোতে বর্তমানে প্রায় ৪৪,০০০ মেট্রিক টন হেভি ফুয়েল অয়েল (এইচএফও) মজুত রয়েছে। এই মজুত ব্যবহার করে কোম্পানির চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র (মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৬৪৫ মেগাওয়াট) আগামী ৩০-৪৫ দিনে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবে।
কোম্পানি জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার আগে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় এই মজুত সংগ্রহ করা হয়েছিল। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে খালাস হওয়া সর্বশেষ চালানের প্রতি মেট্রিক টন জ্বালানির ব্যয় ছিল প্রায় ৪৪৯.৪৭ মার্কিন ডলার। ৯ মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী সিঙ্গাপুর প্ল্যাটস মার্কেটে সমপরিমাণ জ্বালানির বাজারমূল্য প্রায় ৯৪১.২৬ মার্কিন ডলার।
এই মজুদের কারণে সামিটের এইচএফও-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো—সামিট গাজীপুর-২, এইস অ্যালায়েন্স পাওয়ার, সামিট বরিশাল এবং সামিট নারায়ণগঞ্জ পাওয়ার ইউনিট-২—বিপিডিবি-র নিকট বিদ্যুৎ বিক্রয়মূল্য স্পট মার্কেটের অস্থিরতার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে।
সামিট বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে স্থায়িত্ব ও নিরবিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করতে বিপিডিবি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ম্যাংগোটিভি /আরএইচ

