ঢাকাকে বাসযোগ্য রাখতে আগামী নভেম্বরের মধ্যে ভবন নির্মাণ বিধিমালা চূড়ান্ত করতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) পরামর্শ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নির্মাণাধীন ভবনে সেপটিক ট্যাংক ও সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন বিষয়ক অংশীজন সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, নগরীর বর্জ্য ও পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থাপনা বদলাতে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের খাল ও নদী রক্ষা কঠিন হলেও তা সম্ভব করে তুলতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কাজ চলছে।

টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় সরকারের সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান পরিবেশ উপদেষ্টা।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, হাসপাতাল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ রাজধানীর সব ভবনে এসটিপি স্থাপন কঠিন কাজ নয়। নদী ও খাল দূষণমুক্ত করা চ্যালেঞ্জিং হলেও অসম্ভব নয়, তবে এর জন্য সমন্বিত উদ্যোগ এবং উৎস থেকে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। শুধু ড্রেজিং বা দায় এড়িয়ে সমস্যার সমাধান হবে না।

তিনি রাজধানীর টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ভিশন, কার্যকর গভর্নেন্স এবং আইনগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে ছাদবাগান, সড়ক বিভাজকে সবুজায়ন, পার্ক সংরক্ষণ এবং ভবন নির্মাণে সেপটিক ট্যাংক ও এসটিপি স্থাপনের বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মতিন। এছাড়া রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. গিয়াস উদ্দিন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান, ডাইকি এক্সিস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুই ওয়াসে ও প্রধান নির্বাহী শফিকুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা ঢাকাকে টেকসই ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

ম্যাংগোটিভি/ আরএইচ

Share.
Exit mobile version