বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি একমাত্র দল, যারা যতবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, ততবারই দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছে। সরকার গঠনের সুযোগ পেলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।’ তিনি জানান, সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছিল এবং সেই স্বাধীনতা ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে রক্ষা পেয়েছে—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘গত ১৬ বছর দেশে বাকস্বাধীনতা ছিল না। দেশের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে—শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন, উন্নত চিকিৎসা সুবিধা এবং রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ।’
নারীদের ভূমিকার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের অর্ধেক মানুষ নারী। নারীকে কর্মহীন রেখে দেশকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়।’ তিনি উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার থাকাকালে মেয়েদের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। ভবিষ্যতে নারীদের স্বাবলম্বী করতে গ্রামগঞ্জসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
কৃষি খাত প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে।’ এজন্য কৃষক ও কৃষাণীদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা স্বল্পসুদে ঋণ নিতে পারবেন বলে জানান তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি এবং যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, সরকার গঠন করতে পারলে ধাপে ধাপে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। এজন্য বিএনপিকে সরকার গঠনের সুযোগ দিতে হবে। জনগণকে বিএনপির পাশে থাকার আহ্বান জানাই।’
ম্যাংগোটিভি /আরএইচ
