জেমস ক্যামেরনের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীভিত্তিক ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে রেকর্ড সাফল্য পেয়েছে। মুক্তির পরপরই ছবিটি এক বিলিয়ন ডলারের আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা।
ডিজনি স্টুডিও জানায়, বিশ্বজুড়ে টিকিট বিক্রি থেকে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.০৩ বিলিয়ন ডলার। এর মাধ্যমে পরিচালক জেমস ক্যামেরনের চতুর্থ সিনেমা হিসেবে এক বিলিয়ন ডলার আয়ের তালিকায় যুক্ত হলো নতুন এই ‘অ্যাভাটার’ কিস্তি।
ডিজনির পক্ষ থেকে বলা হয়, সিনেমাটি দর্শকদের আবারও জাদুকরী গ্রহ প্যান্ডোরায় ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। থ্রিডি প্রযুক্তি ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের কারণে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহমুখী দর্শক টানতে সক্ষম হয়েছে।
কমস্কোর মার্কেটপ্লেস ট্রেন্ডের প্রধান পল ডারগারাবিয়েডিয়ান বলেন, ‘এই ধরনের সিনেমা সবসময় দর্শকদের হলে টানে। দৃষ্টিনন্দন থ্রিডি অভিজ্ঞতার জন্য বড় পর্দার বিকল্প নেই।’
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ‘অ্যাভাটার’ সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ২.৯ বিলিয়ন ডলার আয় করে ইতিহাস গড়ে। মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিলে ১৯৩৯ সালের ক্লাসিক চলচ্চিত্র ‘গন উইথ দ্য উইন্ড’ এখনও সর্বোচ্চ আয়ের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বলে জানিয়েছে কমস্কোর।
এরপর ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ আয় করে ২.৩ বিলিয়ন ডলার, পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস বিভাগে অস্কারও জিতে নেয়।
ডিজনির তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ৩০৬ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এর আগে জেমস ক্যামেরনের প্রথম বিলিয়ন ডলার ক্লাবের সিনেমা ছিল ‘টাইটানিক’, যা ১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়ে প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে। আজও ছবিটি হলিউডের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত।
