কুমিল্লার ছোটরা কলোনির বাসিন্দা তানজীদা আক্তারের মিটারে দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ ব্যবহার না থাকলেও এক মাসের বিল এসেছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৪ টাকা। ঘটনায় ভুক্তভোগী হতভম্ব হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী তানজীদা আক্তার জানান, প্রায় সাড়ে ৪ বছর আগে তাদের দুই কক্ষের বাসাটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়লে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ শাসনগাছা অফিসে লিখিত আবেদন করেছিলেন। তখন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, কিন্তু মিটার রাখা হয়। এই মিটারের জন্য প্রতিমাসে সাধারণত ৪০–৪৩ টাকার বিল আসত।
বছর চারেক পর, বাড়িটিকে পুনঃনির্মাণের কারণে আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃপ্রাপ্তির জন্য প্রিপেইড মিটার লাগানো হয়। এরপরও পুরাতন মিটার থেকে আগস্ট মাসে ১৪০০ টাকা বিল আসে। কিন্তু ১৪ সেপ্টেম্বর হঠাৎ এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৪ টাকা বিল দেখায়, যা ভুক্তভোগীকে হতবাক করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা একে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন। ভুক্তভোগী দ্রুত তদন্তপূর্বক ন্যায্য ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
জেলার বাসিন্দা মোবারক হোসনে বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের ভূতুড়ে বিলের কারণে কুমিল্লায় বহু মানুষ অতিরিক্ত বিল দিচ্ছেন। তানজীদার ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।
কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, ওই মিটারের বিপরীতে তৈরি বিল আসলে অন্য একজন গ্রাহকের বিল ভুলবশত ওই গ্রাহকের নামে চলে গেছে। বিষয়টি যাচাই করা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধান করা হবে। সূত্র: জাগো নিউজ
