Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    বয়কট গুঞ্জনের মধ্যেই স্কোয়াড ঘোষণা, এবার প্লেনের টিকিট কাটলো পাকিস্তান

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

    রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রচারণা: ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি স্থগিত

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

    ‘আইপিওতে স্বচ্ছতা ও সুশাসনে জোর, মানসম্মত কোম্পানির তালিকাভুক্তি সহজ হবে’

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Thursday, January 29
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    MangoTV
    Demo
    • খবর
      • জাতীয়
      • আন্তর্জাতিক
      • রাজনীতি
      • আইন ও বিচার
      • অপরাধ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • রাজধানী
      • সারাদেশ
      • লাইফস্টাইল
    • খেলা
      • ক্রিকেট
      • ফুটবল
      • অন্যান্য খেলা
    • বিজনেস
      • ব্যাংক ও বীমা
      • শেয়ারবাজার
      • বাজারদর
    • বিনোদন
    • ক্যারিয়ার ও জবস
    • প্রবাস
    • ফিচার
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • সাক্ষাৎকার
    • অন্যান্য
      • অটোমোবাইল
    MangoTV
    Home » এলডিসি উওরণ ও চট্রগ্রাম বন্দর নিয়ে তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট
    রাজনীতি

    এলডিসি উওরণ ও চট্রগ্রাম বন্দর নিয়ে তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট

    By ম্যাংগো টিভিনভেম্বর ২৫, ২০২৫4 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা প্রায় কাছাকাছি। আগামী বছরের ২৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের কথা রয়েছে। তবে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট, অর্থনীতি, শিল্প ও ব্যবসা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সময় চাওয়া কোনো অপমান নয়; বরং উত্তরণের ফলে সম্ভাব্য চাপ ও ক্ষতি এড়াতে এটি একটি দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের মত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ‘হাব’ নিয়ে বর্তমান সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তকে ‘সাধারণ’ নয় বলে মনে করছেন তিনি।

    তারেক রহমান বলছেন, গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটে থাকা সরকারই কেবল চট্টগ্রাম বন্দরের মতো স্থাপনায় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকে এ সংক্রান্ত পোস্টটি করেন। সেখানে তিনি উদাহরণ টেনে এলডিসি উত্তরণ ও চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে বিশদ বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।

    তারেক রহমানের পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো—

    গাজীপুরের এক ছোট পোশাক কারখানার মালিককে কল্পনা করুন। দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে শতাধিক কর্মী নিয়োগ করে, অতি ক্ষুদ্র লাভে এক নির্মম বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করে তিনি তার ব্যবসা গড়ে তুলেছেন। কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই যদি তিনি শুল্ক সুবিধা হারান, যা একসময় তার পণ্যের দাম প্রতিযোগিতামূলক রাখত, তাহলে তিনি নিঃশব্দেই হারিয়ে যেতে পারেন। তার অর্ডার কমা, কারখানা চালু রাখা, কর্মীদের বেতন দেওয়া এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখা—সব চাপই তার কাঁধে এসে পড়তে পারে।

    নারায়ণগঞ্জের এক তরুণ স্নাতককে কল্পনা করে তারেক রহমান বলেন, এবার নারায়ণগঞ্জের এক তরুণ স্নাতককে কল্পনা করুন। তার পরিবারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার দিকে গিয়ে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। তার বাবা একটি কারখানায় কাজ করেন। ওভারটাইমের ওপর নির্ভর করে সংসার চালাতে তিনি। কিন্তু রপ্তানির চাপ বাড়লে ওভারটাইমই প্রথমে বন্ধ হয়। তারপর শিফট কমে। তারপর চাকরি হারায়। এগুলো কোনো শিরোনাম হয় না। এগুলো সাধারণ ঘরের ভেতরের নীরব সংকট।

    এই সিদ্ধান্তে তারা কখনো ভোট দেয়নি। তাদের কখনো জিজ্ঞেস করা হয়নি। তাদের কখনো প্রকৃত সংখ্যাগুলো দেখানো হয়নি। এই কারণেই বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের বিতর্ক সরকারি বিবৃতির চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    বিএনপি আগেও বলেছে, এলডিসি স্থগিতের বিকল্পটি খোলা না রেখে ২০২৬ সালের সময়সীমা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। যা এমন একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিচ্ছে যাদের জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার ম্যান্ডেট নেই। অথচ তারা এমন দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যা আগামী দশক ধরে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

    আমাদের বলা হয় যে বিলম্ব ‘অসম্ভব’, এমনকি স্থগিতের জন্য অনুরোধ করাটাও এক ধরনের ‘অপমান’ হবে, যা জাতিসংঘ (ইউএন) বিবেচনাও করবে না। কিন্তু আমরা যদি আরও নিবিড়ভাবে দেখি, তবে ইতিহাস আরও জটিল গল্প বলে।

    অ্যাঙ্গোলা এবং সামোয়ার মতো দেশগুলোর উত্তরণের সময়সূচি রদবদল করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়লে জাতিসংঘের নিয়মাবলীতেই নমনীয়তার সুযোগ রয়েছে। দেশ গঠনের ফলাফল সম্পর্কে সময় চাওয়া কেবল একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বশীল শাসন। কিন্তু আমরা কেন ভান করছি যে, কোনো বিকল্প নেই? আমরা কেন আমাদের ভবিষ্যতকে সীমিত করছি?

    স্থগিতের বিকল্পটি প্রকাশ্যে বাতিল করে দিয়ে আমরা আমাদের নিজেদের দর কষাকষির ক্ষমতা দুর্বল করে দিচ্ছি। আমরা আন্তর্জাতিক আলোচনায় আমাদের হাত আগেই উন্মুক্ত করে প্রবেশ করছি, আলোচনার টেবিলে বসার আগেই নিজেদের সুযোগ (Leverage) বিসর্জন দিচ্ছি।

    সরকারের নিজস্ব নথিপত্রও স্বীকার করে যে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক মহল ইতোমধ্যেই ব্যাংকিং খাতে চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ, ক্রমবর্ধমান ঋণের ঝুঁকি এবং রপ্তানি কমে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন।

    এটা উত্তরণের বিরুদ্ধে কোনো যুক্তি নয়। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু উত্তরণের ‘অধিকার’ থাকা আর উত্তরণের জন্য ‘প্রস্তুত’ থাকা এক জিনিস নয়।

    আমি মনে করি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সন্দেহ না থাকাকে প্রকৃত জাতীয় শক্তি বলা যায় না। আসল জাতীয় শক্তি হলো সেই শৃঙ্খলা থাকা, যার মাধ্যমে ক্ষতির মাত্রা অপরিবর্তনীয় হওয়ার আগেই কঠিন প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাসা করা যায়।

    এবার চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে তাকান, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবেশদ্বার। সেখানে যা ঘটে, তা যেকোনো রাজনৈতিক বক্তৃতার চেয়েও লাখ লাখ মানুষের জীবনকে বেশি প্রভাবিত করে।

    বন্দর সংক্রান্ত সাম্প্রতিক দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্তগুলো সাধারণ নয়। এগুলো একটি জাতীয় সম্পদ নিয়ে কৌশলগত প্রতিশ্রুতি, যা একটি অন্তর্বর্তী সরকার দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে—যার কাছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাধ্য করার মতো গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট নেই।

    চট্টগ্রাম বন্দরে আমরা যা দেখছি, তা এলডিসি উত্তরণের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। কৌশলগত বিকল্পগুলো বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। জনবিতর্ককে একটি সমস্যা হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে। বৈধ উদ্বেগগুলোকে গতি এবং ‌‌‌অনিবার্যতার অজুহাতে অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।‌‌

    আমি খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, এটা কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিত্বকে আক্রমণ করার বিষয় নয়। এটি প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করার এবং এই নীতির ওপর জোর দেয়ার বিষয় যে—যেসব সিদ্ধান্ত দেশের জীবনকে দশক ধরে প্রভাবিত করবে, সেগুলো জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকারের মাধ্যমে নেয়া উচিত।

    কেউ বলছে না যে, আমাদের এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণ বা বন্দরের সংস্কার করা উচিত নয়। যুক্তিটি আরও সরল এবং মৌলিক; একটি জাতির ভবিষ্যৎ এমন একটি সরকার দ্বারা স্থির করা উচিত নয়, যেটিকে জাতি নির্বাচন করেনি।

    কৌশলগত ধৈর্য দুর্বলতা নয়। জনপরামর্শ কোনো বাধা নয়। গণতান্ত্রিক বৈধতা বিলম্ব নয়। আর আমার মতে, সম্ভবত এটাই এর নিচে লুকিয়ে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্য।

    বাংলাদেশের মানুষ কখনো তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিষ্ক্রিয় ছিল না। তারা কষ্ট সহ্য করেছে এবং ত্যাগ স্বীকার করেছে কারণ তারা মর্যাদা, কণ্ঠস্বর এবং পছন্দে বিশ্বাসী।

    এ কারণেই আমাদের অনেকেই ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে—যা বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার, পছন্দ করার এবং একটি সহজ সত্যকে পুনর্ব্যক্ত করার একটি সুযোগ। এই দেশের ভবিষ্যৎ অবশ্যই দেশবাসীর দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে, ‌‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই বিশ্বাস নিয়ে।

    ম্যাংগোটিভি / আরএইচ

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
    Previous Articleবিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ১০৩ চিকিৎসককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি
    Next Article দেশের জন্য দোয়া চাইলেন সাকিব আল হাসান

    Related Posts

    বয়কট গুঞ্জনের মধ্যেই স্কোয়াড ঘোষণা, এবার প্লেনের টিকিট কাটলো পাকিস্তান

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

    রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রচারণা: ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি স্থগিত

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

    ‘আইপিওতে স্বচ্ছতা ও সুশাসনে জোর, মানসম্মত কোম্পানির তালিকাভুক্তি সহজ হবে’

    জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
    Demo
    আরও দেখুন

    বয়কট গুঞ্জনের মধ্যেই স্কোয়াড ঘোষণা, এবার প্লেনের টিকিট কাটলো পাকিস্তান

    রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রচারণা: ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি স্থগিত

    ‘আইপিওতে স্বচ্ছতা ও সুশাসনে জোর, মানসম্মত কোম্পানির তালিকাভুক্তি সহজ হবে’

    নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার না করতে ইসির নির্দেশ

    Demo
    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    ম্যাংগো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড-এর
    একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
    • ঠিকানা: ৩/১ বি, ২য় তলা, ব্লক-বি, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭
    • মোবাইল নম্বর: ‪+৮৮০১৬১০৬০০০৭০‬
    • ইমেইল: ‪info@mangotv.net

    সম্পাদক ও প্রকাশক
    মুহম্মদ তৌফিকুল ইসলাম

    আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
    Facebook Youtube Instagram
    • আমাদের সম্পর্কে
    • গোপনীয়তার নীতি
    • নীতিশর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা
    স্বত্ব © ম্যাংগো টিভি ২০১২-২০২৫