Thursday, September 24

গাজায় যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের রোডম্যাপে সম্মতি দিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রমের সঙ্গে সমান্তরালে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে। তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন ও প্রশাসনিক রূপান্তর তদারকিতে গঠিত বোর্ড অব পিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানায়, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপগুলোর বিস্তারিত রোডম্যাপে হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দিয়েছে। সংস্থাটির দাবি, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হামাস অস্ত্র সমর্পণের একটি কাঠামোগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বোর্ড অব পিস জানায়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমন্বিত শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে গাজার নতুন শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা, পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে কয়েক মাসের আলোচনার পর এই সমঝোতা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিকল্পনাটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা। এ লক্ষ্যে গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা (এনসিএজি)-কে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর (আইএসএফ) সহায়তায় পূর্ণাঙ্গভাবে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়ে গেছে। হামাস বলেছে, পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহারের ওপর নির্ভর করবে। অন্যদিকে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত কাঠামো নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

ফলে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি।

ম্যাংগোটিভি /আরএইচ

Share.
Exit mobile version