ঢাকা: দেশের তরুণ উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক ও ফ্রিল্যান্সাররা বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছেন। তবে এ প্রচেষ্টার পথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে যার মধ্যে আছে স্টার্টআপের জন্য পর্যাপ্ত মূলধনের অভাব ও উপযুক্ত নীতিগত সহায়তার সীমাবদ্ধতা।
এ স্টার্টআপের দেশের প্রায় ৩ কোটি তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের সম্ভাবনা উপলব্ধি করার সুযোগ দেয় এবং দেশকে একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এ খাতকে শক্তিশালী করা অপরিহার্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), দ্রুত বদলে দিচ্ছে অর্থনীতির চালচিত্র। এ পরিবর্তনের ঢেউ বাংলাদেশেও পৌঁছেছে। দেশে স্টার্টআপ ব্যবসা এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগটি সময়োপযোগী। এজন্য এ খাতে নীতি সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা থাকা প্রয়োজন।
সম্প্রতি বাংলাদেশে স্টার্টআপ ক্যাপিটাল, এআই প্রযুক্তি ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নীতি সহায়তা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ ডিজিটাল অর্থনীতির নানা বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ডা. জাহিদ হোসেন, অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন এবং আসন্ন এফবিসিসিআই নির্বাচনে সহসভাপতি প্রার্থী ও ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিফ শামীম।
