দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
বিএনপি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি রাজধানীর কুড়িলের ৩০০ ফুট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনায় যোগ দেবেন। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে। মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।
দলটির নেতাদের দাবি, সংবর্ধনায় অন্তত ৫০ লাখ মানুষের উপস্থিতি হতে পারে। গত মঙ্গলবার মঞ্চ পরিদর্শন শেষে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘অর্ধকোটি মানুষের উপস্থিতির আশা করছি।’ ইতোমধ্যে সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন।
২০০৮ সালে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। দীর্ঘদিন সেখানে অবস্থানের পর এবার দেশে ফিরছেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা জারনাজ রহমানসহ মোট পাঁচজন।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বেবিচক জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নির্ধারিত যাত্রী ছাড়া অন্যদের বিমানবন্দরে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।
এদিকে বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত তারেক রহমানের চলাচলে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাতায়াতের সময় পুলিশি পাহারার পাশাপাশি তাঁর বাসভবন ও কার্যালয়েও থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁর জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
সংবর্ধনা শেষে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তাঁর মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
ম্যাংগোটিভি /আরএইচ
