সপ্তাহের শুরুটা বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখকর হয়নি। গত সপ্তাহের শেষ দিকে সূচকে কিছুটা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত মিললেও রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়ে শেয়ারবাজার। দিনের শুরুতে সূচক ইতিবাচক থাকলেও শেষ ঘণ্টায় প্রবল চাপের মুখে নিম্নমুখী হয়ে যায় বাজার।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনেই ৩৫.০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৮০.০৭ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক ৬.৭১ পয়েন্ট কমে নেমে আসে ১ হাজার ১৬৪.৭৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৮৫.৯৩ পয়েন্টে।

লেনদেনের দিক থেকেও হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। আগের কর্মদিবসে ৭০৯ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলেও এদিন নেমে যায় ৫৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকায়, যা প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা কম। এদিন লেনদেনে অংশ নেয় ৩৯৬টি কোম্পানি। এর মধ্যে মাত্র ৭০টির শেয়ার দর বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ২৮২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৪টির শেয়ার।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে সূচক ও লেনদেন উভয়ই কমেছে। সিএসইতে মোট লেনদেন দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এদিন ২০৬ কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়, এর মধ্যে ৪৮টির দর বেড়েছে, ১৩৬টির কমেছে এবং ২২টির শেয়ার দর অপরিবর্তিত ছিল। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬৫.২৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ২৩.৪১ পয়েন্টে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজারে স্বল্পমেয়াদি এমন অস্থিরতা স্বাভাবিক। তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ ধরনের পতন নতুন সুযোগ তৈরি করে দেয়।

ম্যাংগোটিভি/আর এইচ

Share.
Exit mobile version