দেশের শেয়ারবাজারে টানা দরপতনের সঙ্গে দেখা দিয়েছে লেনদেন খরা। টানা সাত কার্যদিবস পতনের পর সোমবার (১০ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমেছে। একইসঙ্গে লেনদেন কমে ৩০০ কোটির ঘরে ঠেকেছে।
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। বাজার খোলার পর সাময়িক ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা দিলেও অল্প সময়ের মধ্যেই সূচক ঋণাত্মক হয়ে যায়। শেষ ঘণ্টায় ব্যাপক দরপতনে দিনশেষে বড় পতন দিয়ে লেনদেন শেষ হয়।
দিনের শেষে ডিএসইতে দাম বাড়ে মাত্র ৭০টি প্রতিষ্ঠানের, কমে ২৭৫টির, অপরিবর্তিত থাকে ৪১টির।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৯ পয়েন্ট কমে ৪,৮৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যা গত ৩০ জুনের পর সর্বনিম্ন অবস্থান। ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে ১১ পয়েন্ট, আর ডিএসই–৩০ সূচক কমেছে ১৮ পয়েন্ট।
লেনদেনও আগের কার্যদিবসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৩৫৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় নেমেছে। যা আগের কার্যদিবসের ৪০২ কোটি ২০ লাখ টাকা থেকে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা কম।
লেনদেনে শীর্ষে ছিল আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, যার ২১ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এরপর ওরিয়ন ইনফিউশন (১৯ কোটি ৪৩ লাখ) ও সিমিট অ্যালায়েন্স পোর্ট (১৪ কোটি ২৬ লাখ)।
লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল আরও -ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, মনোস্পুল পেপার, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, পাওয়ার গ্রিড এবং রানার অটোমোবাইল।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ১৪০ পয়েন্ট। সেখানে লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কম (আগের দিন ছিল ২২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা)। বাজারটিতে অংশ নেওয়া ১৭৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৭টির দাম বেড়েছে, ১২৭টির কমেছে, ৯টির অপরিবর্তিত।
