চলমান কর্মসূচি ও শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের আরও সাত কর্মীকে বদলি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে সম্প্রতি মোট ১১ কর্মীকে বদলি করা হলো।

বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন-মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, শাকিল রহমান, মানিক মিয়া ও শামসু মিয়া। তারা বন্দরের পরিবহন, প্রশাসন, বিদ্যুৎ, যান্ত্রিক, পরিকল্পনা ও সেশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। নতুন আদেশ অনুযায়ী তাদের পানশী ও কমলাপুর আইসিডিসহ ঢাকার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জরুরি দাপ্তরিক ও অপারেশনাল প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ পার্সোনেল অফিসারের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব বদলি কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওই তারিখেই বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বন্দরের চার কর্মচারীকে ঢাকা পানগাঁও আইসিডিতে বদলি করা হয়। তারা হলেন—অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির (অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ), ইঞ্জিন ড্রাইভার মো. ইব্রাহিম খোকন (নৌ বিভাগ), উচ্চ হিসাব সহকারী মো. আনোয়ারুল আজিম (অর্থ ও হিসাব বিভাগ) এবং এসএস খালাসী মো. ফরিদুর রহমান (প্রকৌশল বিভাগ)।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব বদলি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ।

এদিকে এনসিটি ইজারা ও কর্মচারীদের বদলির প্রতিবাদে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আট ঘণ্টা কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে শ্রমিকরা। ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বন্দরের অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এনসিটির বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই বন্দর কর্তৃপক্ষ দমনমূলক পথে হাঁটছে। একের পর এক বদলির আদেশ দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। আমরা আগামীকালও আট ঘণ্টা কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছি।’

Share.
Exit mobile version