পুঁজিবাজারে গত দেড় বছরে প্রায় ২০০টি অভিযোগ তদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, এসব তদন্তের ভিত্তিতে ১৪৮৮ কোটি টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে, তবে আদায় হয়েছে মাত্র ৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

রোববার রাজধানীর ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট–এ আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। সেমিনারের আয়োজন করে পুঁজিবাজার সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, জরিমানার অর্থ আদায় কম হলেও এটি নতুন নয়। আইনি প্রক্রিয়ার কারণে অনেকেই জরিমানার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করছেন এবং পরিশোধে সময় নিচ্ছেন। তবে তদন্ত ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, গত ১৮ মাসে ৩০০টির বেশি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত ১৬টি অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হয়েছে, যার ভিত্তিতে মামলাও হয়েছে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, মিউচুয়াল ফান্ড ও আইপিও নীতিমালায় সংস্কার এনে ভালো কোম্পানি বাজারে আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোকে বন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কাজ চলছে।

সেমিনারে পুঁজিবাজার সংস্কার ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন বাজার সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, নীতিগত সংস্কার কার্যকর হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং বাজার দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল হবে।

ম্যাংগোটিভি /আরএইচ

Share.
Exit mobile version