শেষ বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে নাটকীয় মোড় নেয় পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ। ইনজুরি সময়ে ক্রোয়েশিয়া সমতাসূচক গোল করলেও ভিএআরের সহায়তায় সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। আর তাতেই ২-১ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে পর্তুগাল।

শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব-৩২-এর ম্যাচে শুরু থেকে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা মেলে দ্বিতীয়ার্ধে।

ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। পিছিয়ে পড়ার পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় পর্তুগাল। এরই ধারাবাহিকতায় পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

সমতায় ফেরার পর জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দল। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ে কোচ রবার্তো মার্তিনেজের বদলি খেলোয়াড় নামানোর সিদ্ধান্ত কাজে দেয়।

৯৪তম মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে রাফায়েল লিয়াওর নিখুঁত ক্রস বক্সে পেয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালে জড়ান বদলি ফরোয়ার্ড গনসালো রামোস। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পর্তুগাল।

এরপর যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ দিকে কর্নার থেকে জোয়াও নেভেসের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া বলে মনে হয়েছিল। তবে ভিএআরের পর রেফারি মাঠের পাশের মনিটরে রিপ্লে দেখে গোলটি বাতিল করেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, আক্রমণের শুরুতে ইগর মাতানোভিচ বল স্পর্শ করার সময় মারিও পাশালিচ অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। সেই কারণেই গোলটি বাতিল করা হয়।

গোল বাতিলের সিদ্ধান্তে হতাশ হয়ে পড়ে ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা। শেষ মুহূর্তে আরও একটি কর্নার পেলেও তা থেকে গোল আদায় করতে পারেনি তারা।

শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে পর্তুগাল। রোনালদোর সমতাসূচক গোল ও গনসালো রামোসের জয়সূচক হেডে শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখে রবার্তো মার্তিনেজের দল। অন্যদিকে, শেষ মুহূর্তের ভিএআর নাটকীয়তার হতাশা নিয়েই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ক্রোয়েশিয়া।

ম্যাংগোটিভি / আরএইচ

Share.
Exit mobile version