জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার দিন দেশের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়ে। এর ফলে সব সূচকই ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে দিনশেষ করে। একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে। টানা ১১ কার্যদিবস পতনের পর সিএসইতে এদিন সূচক বেড়ে যায়।

রায় পড়া শুরু হয় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। তবে লেনদেন শুরুর পর প্রথম এক ঘণ্টায় বাজার নিম্নমুখী ছিল। ডিএসইর প্রধান সূচক একপর্যায়ে ১৬ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা ১১টার পর চিত্র বদলাতে থাকে এবং শেয়ারদর বাড়ার প্রবণতা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

দিনশেষে ডিএসইতে ৩২২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়ে, কমে মাত্র ৩৫টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ১৬টি। ডিএসইএক্স সূচক ৪২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৪,৭৭৪ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ১,০০০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১,৮৬৯ পয়েন্টে অবস্থান নেয়।

লেনদেনেও বড় বৃদ্ধি দেখা যায়। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৪৮ কোটি ৫ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৪৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বেশি।

সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারে—১৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং (১২ কোটি ৭৭ লাখ) এবং খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ (১০ কোটি ৭২ লাখ টাকা)।

এছাড়া লেনদেনে শীর্ষ দশে ছিল—রানার অটোমোবাইল, ওরিয়ন ইনফিউশন, লাভেলো আইসক্রিম, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার এবং মনোস্পুল বাংলাদেশ।

সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৪১ পয়েন্ট। বাজারটিতে ১০০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়ে, কমে ৪৫টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ১১টির। লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

Share.
Exit mobile version