যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অবরোধ আরও জোরদার করতে পারে-এমন খবরের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা কিছু সময়ের জন্য ১২২ ডলারে পৌঁছায়-২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসনের সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কাই এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ।
জ্বালানি খাতের শীর্ষ নির্বাহীরা সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন, তেলের বাজার পরিস্থিতি এবং শিপিং সংকট নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অবরোধ পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় তেল ব্যবসায়ীরা হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতিকে আরও দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা হিসেবে দেখছেন। বিশ্বের মোট তেল ও তরল গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।
ইরান জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধ চলতে থাকলে তারা হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল সীমিত রাখবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী নৌযানগুলোকে বাধা দেওয়ার নীতি বজায় রাখবে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। তবে সর্বশেষ পরিস্থিতিতে দাম স্থিতিশীলভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে।
ম্যাংগোটিভি /আরএইচ


