বাংলাদেশ ব্যাংকের মতোই পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) স্বায়ত্তশাসন থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী।
বুধবার (২২ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ে বিএসইসি’র মাল্টিপারপাস হলে পুঁজিবাজার অংশীজনদের সঙ্গে কমিশনের চতুর্থ মাসিক সমন্বয় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ড. আনিসুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের যদি স্বায়ত্তশাসন থাকে, তবে বিএসইসিও সেই সুযোগ পাওয়ার দাবিদার। আমাদের মানসিকতা বদলাতে হবে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সততার চর্চা করতে হবে। পুঁজিবাজার নিয়ে হতাশ হলে চলবে না— সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিসিবিএল) রেজিস্ট্রেশন ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দেন।
সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নে কমিশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। “মার্জিন বিধিমালা ২০২৫”, “মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ২০২৫” এবং “পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ রুলস ২০২৫” এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এসব বিধিমালা কার্যকর হলে পুঁজিবাজারের আইনি সংস্কারে বড় অগ্রগতি আসবে।
তিনি বলেন, মার্জিন বিধিমালা গেজেটে প্রকাশের পর কার্যকর হবে। তবে আতঙ্কের কিছু নেই— বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে এটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে কার্যকরের পরও ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিশনার মো. মোহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফুদ্দিনসহ বিএসইসি, ডিএসই, সিএসই, সিসিবিএল, ডিবিএ, আইসিবি, এফআরসি ও সিডিবিএল’র শীর্ষ কর্মকর্তারা।
সভা শেষে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজার সংস্কার বাস্তবায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা সবাই মিলে কাজ করলে বাজারে আস্থা ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

