প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকটি রাজনৈতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোট এবং জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তারেক রহমান। এসব বৈঠকে তিনি জোট নেতাদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন।
বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, এসব বৈঠক রাজনৈতিক সৌজন্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করিম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির এম এ বাসার, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম এবং প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপি) ফিরোজ মুহাম্মদ লিটনসহ অন্যরা।
পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণদলের এটিএম গোলাম মওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ব্যারিস্টার নাসিম খান, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির এস এম শাহাদাত, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ডেমোক্রেটিক লীগের খোকন চন্দ্র দাস এবং এনডিপির আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেলসহ অন্যান্য নেতারা।
Nagad
বৈঠকে জোট নেতারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
জোট নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচনেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে যোগ্যতা ও অবদানের ভিত্তিতে সবাইকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের এই বৈঠক, যা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

