কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চ্যাটবট যেমন ChatGPT তথ্য জানার সহজ মাধ্যম হলেও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন—অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বিপদ ডেকে আনতে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন আমেরিকানের একজন স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য এআই ব্যবহার করছেন। এমনকি ২৫% মানুষ থেরাপির পরিবর্তে চ্যাটবটকে বেছে নিচ্ছেন। তবে এর ঝুঁকিও কম নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সংবেদনশীল তথ্য কখনই ChatGPT বা অন্য কোনো চ্যাটবটের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়। এসব তথ্য জানতে চাইলে আইনগত জটিলতা, এমনকি জেল-জরিমানা পর্যন্ত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
চ্যাটবটের কাছে কখনও না জিজ্ঞেস করার জন্য ৭টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো:
১. ব্যক্তিগত তথ্য – নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর বা ই-মেইল।
২. আর্থিক তথ্য – ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ক্রেডিট কার্ড নম্বর।
৩. পাসওয়ার্ড – যেকোনো লগইন বা অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড।
৪. গোপনীয় কথা – ব্যক্তিগত বা গোপন অভিজ্ঞতা।
৫. চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য পরামর্শ – AI ডাক্তার নয়, তাই স্বাস্থ্যগত তথ্য বা বিমা নম্বর শেয়ার করা যাবে না।
৬. স্পষ্ট কনটেন্ট – অনুপযুক্ত কনটেন্ট AI-তে শেয়ার করলে ব্যান বা আইনি ঝুঁকি থাকতে পারে।
৭. অপ্রকাশযোগ্য তথ্য – এমন কিছু যা ফাঁস হলে বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, এআই ব্যবহার সুবিধাজনক হলেও সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করলে তা ব্যক্তিগত, আর্থিক ও আইনি ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ChatGPT বা অন্য এআই প্ল্যাটফর্মে তথ্য অনুসন্ধান করার সময় সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।
