বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) জানিয়েছে, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)কে সমর্থন করে বলে যে অভিযোগ এনেছে ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান (ইউএলএ), তা বিভ্রান্তিকর। বিজিবি স্পষ্ট করেছে, আরসা বা আরএসও-এর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তারা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত।
বিজিবি আরও জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র কার্যকলাপ রোধে ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শীর্ষ নেতা আতাউল্লাহ জুনুনিসহ বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ সশস্ত্র কর্মীদের উচ্ছেদ ও অস্তিত্ব নির্মূলের কাজও চালানো হচ্ছে।
সীমান্তরক্ষী বাহিনী বলেছে, ইউএলএ-এর অভিযোগ আসলে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড আড়াল করার প্রচেষ্টা। বিজিবি দেশীয় সীমান্ত সুরক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শরণার্থী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করছে। ২০২৩ সালের পর থেকে নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী পাহাড়ে টহল জোরদার করা হয়েছে, সৈন্য মোতায়েন ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে। দেশের সীমান্ত রক্ষায় চরমপন্থীদের সঙ্গে কোনো যোগসাজশ নয়, বরং সতর্কতা, কূটনীতি ও মানবিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ম্যাংগোটিভি/আরএইচ

